ওজন কমানো ও নিয়ন্ত্রণ · বাংলাদেশ
প্যাকেট হাতে নিয়ে মেটান
চায়ের সঙ্গে ভাজাপোড়া চলছেই, আর হালকা খাওয়ার সংকল্প টেকে না? D-Fit-এ গারসিনিয়া ক্যাম্বোজিয়া, হিবিস্কাস ও আদার নির্যাস আছে, সঙ্গে ইসবগুলের আঁশ, যা পেট ভরা রাখে। নাশতার পর একটি, রাতের খাবারের পর একটি। নম্বর দিন, প্যাকেট পেয়ে টাকা মেটান।
চারটি উদ্ভিদ-উপাদান, একটি ফল, একটি ফুল, একটি কন্দ ও একটি আঁশ, এক ক্যাপসুলে মেশানো।
ছোট টক ফলের খোসার নির্যাস, ওজন-সচেতনদের ফর্মুলায় সবচেয়ে চেনা নামগুলোর একটি
টকমিষ্টি লাল ফুলের রস, ভেষজ পানীয়ের মতো স্বাদ ও গুণ নিয়ে আসে
ঝাঁঝালো কন্দ, খাবারের পর পেট হালকা ও আরামে রাখার জন্য ঘরে ঘরে চেনা
ইসবগুলের খোসা; পানি পেয়ে ফুলে ওঠে আর পেট ভরা থাকার অনুভূতি জোগায়
অর্ডারটি পাঠিয়ে দিনপ্যাকেট হাতে নিয়ে মেটান
ইসবগুলের খোসা পানি টেনে পেটে ফোলে, ফলে অনেকক্ষণ ভরা ভরা লাগে আর বাড়তি খাওয়ার তাড়া কমে।
গারসিনিয়া ক্যাম্বোজিয়া টক-স্বাদের ফল, ওজন নিয়ে সচেতন মানুষের ফর্মুলায় এটি বহুল ব্যবহৃত।
ভরপেট খেয়েও যেন ভার না লাগে, সে জন্য আছে আদা; হিবিস্কাস ফর্মুলাকে দেয় ফুলেল ভেষজ ছোঁয়া।
দিনে মোট দুটি: নাশতার পর একটি আর রাতের খাবারের পর একটি। প্রতিবার ভরা গ্লাস পানি না নিলে আঁশ ঠিকমতো কাজ করে না।
ক্যাপসুল একা কিছু করে না, হালকা খাবার আর হাঁটার সঙ্গে নিলে সুবিধা। দু-তিন সপ্তাহ নিয়ম মেনে চলে নিজের ক্ষুধার ধরন দেখুন।
এসব ওষুধের সঙ্গে গারসিনিয়া বা আদার মিলিত প্রভাব হতে পারে, কাজেই শুরুর আগে ডাক্তারের মত নিন। ইসবগুল আর ওষুধের মাঝে অন্তত দুই ঘণ্টা রাখুন।
বোতলে ২০টি ক্যাপসুল। দিনে দুটি করে নিলে দশ দিনে শেষ হয়, তাই একটানা খেতে চাইলে বোতল সেই হিসাবে ভাবুন।
5/5
আমি সিলেটে একটি ছোট দর্জির দোকান চালাই। বসে কাজের ফাঁকে চা-বিস্কুট আর ভাজাপোড়া খাওয়া অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল।
খালাতো বোনের কাছে D-Fit-এর কথা জানলাম। নাশতার পর আর রাতের খাবারের পর একটি করে খাই, চা-তে চিনি কমিয়েছি আর সন্ধ্যায় হাঁটি। এখন দুপুরের পর অকারণে মুখ চালানো অনেক কমেছে।
শ— শাহিনা আক্তার, ৪১, সিলেট
নাম আর ফোন নম্বরই যথেষ্ট। কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কোনো তথ্য লাগে না।
সরবরাহকারীর কনসালট্যান্ট আপনার সঙ্গে কথা বলে ঠিকানা, সংখ্যা আর আপনার জন্য সুবিধার ডেলিভারি-দিন স্থির করেন।
পার্সেল বুঝে নেওয়ার মুহূর্তে কুরিয়ারের হাতে নগদ টাকা তুলে দিন।